পোস্টগুলি

হোটেল কাবা ঘর দর্শনে বড় বাধা

২০২৬ সালে হজ্জের সময় সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ১৭,০৭,৩০১ জন হাজি হজ্জ্ব ব্রত পালন করতে যায় মক্কা ও মদিনায় । বেশির ভাগ লোকজন কাবা ঘরের বা মসজিদে নববীর  পাশের হোটেল এ থাকতে ভালোবাসে। কারণ দূর থেকে প্রচন্ড রোদ উপেক্ষা  করে হেটে আশা খুবই কষ্টের কাজ।  ২০২৬ সালে হজ্জ্ব করতে গিয়ে দেখা গেল যে সৌদি কর্তৃপক্ষ সব হাজীদের নামাজের ব্যবস্থা করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো সৌদি সরকার এর অপরিকল্পিত হোটেল নির্মাণ করা। তাদের ধারণা ছিল না যে এতো লোক হজ্জ্ব করতে আসবে প্রতি বছর। ~~ তাই তারা কাবা ঘর ঘেঁষে অনেক গুলু হোটেল নির্মাণ  করে বসছে আছে। বিশেষ করে, সাফা টাওয়ার, ক্লক টাওয়ার, মক্কা টাওয়ার, হোটেল হিল্টন ইত্তাদি। এই হোটেল গুলু আরো একটু দূরে দূরে নির্মাণ করলে হাজি সাহেবরা কাবা ঘর বা তার সীমানা প্রাচীর দেখে দেখে নামাজ আদায়  করতে  পারতো। হাজিরা আপসোস করে যে তারা কাবা ঘরকে দেখতে পারে না নামাজের সময় । জামাতের সময় তাদেরকে হোটেল গুলুর পিছনে বসতে হয়। এটা সত্যি দুঃখজনক। তাদেরকে বড় বড় হোটেল সামনে রাখতে হয়। তাই সৌদি সরকারের উচিৎ এইসব হোটেল গুলি ভেঙে ফেলা। না হয় প্রতি বছর...

ISO Quality

  বাংলাদেশে ISO কোয়ালিটি : আন্তর্জাতিক মানের মান নিশ্চিতকরণের সম্পূর্ণ গাইড বাংলাদেশে ISO কোয়ালিটি বা ISO সার্টিফিকেশন এখন ব্যবসায়ের সাফল্যের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি । বিশেষ করে রেডিমেড গার্মেন্টস (RMG), ফার্মাসিউটিক্যালস , আইটি , ফুড প্রসেসিং ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে ISO 9001 Bangladesh এবং অন্যান্য ISO স্ট্যান্ডার্ড গ্রহণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে । আন্তর্জাতিক বাজার , সরকারি টেন্ডার ও বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে ISO সার্টিফিকেশন বাংলাদেশ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে । এই আর্টিকেলে আমরা জানবো বাংলাদেশে ISO কোয়ালিটি কী , কেন গুরুত্বপূর্ণ , জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ডগুলো , সুবিধা , সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া ও খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত । ISO কোয়ালিটি বা ISO 9001 কী ? ISO বা International Organization for Standardization বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত মান নির্ধারণ করে । ISO 9001 হলো কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (QMS) এর সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড । এটি সংস্থার প্রক্রিয়া , গ্রাহক সন্তুষ্টি , ক্রমাগত উন্নতি ও ঝুঁকি ব...

সৌদিতে হাজ্জীদের জন্য জরুরি মেডিকেল সুবিধার অভাব

হজ্জের সময় আমরা যখন মুজদালিফা থেকে ট্রেনে উঠার জন্য লাইন এ দাঁড়াই তখন দেখলাম পাকিস্তান এর এক হাজি  অজ্ঞান হয়ে পরে গেছে। তখন তার সাহায্যের জন্য অন্যান্য পাকিস্তানী হাজ্জিরা পুলিশকে অনুরুধ করছে সাহায্যের জন্য কিন্তু সৌদি পুলিশ তাদেরকে কোন সাহায্য করছে না।  ২০২৬ সালে বাংলাদেশিদের জন্য চারদিকে মুজদালিফার  পাহাড় বেষ্টিত উপত্যকায় থাকার ব্যবস্থা করে। সাথে পাকিস্তানী হাজ্জিরাও ছিল। চারদিকে পাহাড় বেষ্টিত থাকায় বাতাস ছিল না। টয়লেট ব্যাবস্থাও ছিল প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। টয়লেটে গিয়ে ১ ঘন্টা পর্যন্ত লাইন এ দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। তাই বেশিরভাগ হাজ্জিরা রাতে ঘুমাতে পারে না মুজদালিফায়।   হাজ্জীদের থেকে প্রাপ্ত অর্থ সৌদি সরকারের দ্বিতীয় বৃহত্তম আয়ের উৎস হলেও হাজ্জীদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ সেবা, ও দ্রুত রেসকিউ টীম সরবরাহ করছে না সৌদি হজ কর্তৃপক্ষ । আমার ওই দেখা ঘটনায় মনে হলো এখানে জরুরি হেলিকপ্টার সেবা থাকলে অসুস্থ হাজীদের সেবা দেয়া সহজ হতো। ২০২৬ এ এই সেবা আমার চোখে পরে নি। আমরা আশা করবো সৌদি সরকার সামনের হজগুলুতে দ্রুত রেসকিউ সুবিধার আওতায় মেডিকেল হেলকপ্টার সরবরাহ করবেন। এতে হাজ...

সৌদি আরবে হাজ্জীদের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি

 হজের সময় হাজিদের পলিথিনে খাবার সরবরাহ: স্বাস্থ্যঝুঁকি, খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব — একজন ISO অডিটরের অভিজ্ঞতা ও মতামত ভূমিকা হজ মুসলমানের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রতিবছর বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মুসলমান পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান। তাঁদের অধিকাংশই বয়স্ক এবং অনেকেই দীর্ঘ ভ্রমণ, প্রচণ্ড গরম, অতিরিক্ত হাঁটা, ঘুমের পরিবর্তন এবং নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কারণে শারীরিকভাবে চাপের মধ্যে থাকেন। এই পরিস্থিতিতে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহ হজ ব্যবস্থাপনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু একজন হাজি হিসেবে আমার নিজের অভিজ্ঞতা এবং একজন ISO Auditor হিসেবে আমার পেশাগত দৃষ্টিকোণ থেকে হজযাত্রীদের খাবার সরবরাহের একটি বিষয় আমাকে গভীরভাবে চিন্তিত করেছে— অত্যন্ত গরম রান্না করা খাবার পাতলা পলিথিনের প্যাকেটে করে দীর্ঘ সময় ধরে হাজিদের সরবরাহ করা। প্রশ্ন হলো: এই পলিথিন কি সত্যিই Food Grade? Food Grade হলেও উচ্চ তাপমাত্রার খাবার এতে কতক্ষণ রাখা নিরাপদ? খাবার প্রস্তুতকারী Catering Company বা Restaurant-এর কি Food Safety Management...

হজ্জের সময় সবচেয়ে কষ্টের দিন কোনটি ?

  হজ্জে যাওয়ার পর মক্কায় যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তারমধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক ও মারাত্মক সমস্যা হলো দুপুর বেলা ৪২ - ৪৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা সহ্য করে 3-4 কিলোমিটার হাঁটা | আমাদের হোটেল ছিল হারাম শরীফ এর কাছে | যার দূরত্ব ছিল জামারা থেকে প্রায় 3-4 কিলোমিটার | হজ্জের তৃতীয় দিন অর্থাৎ 10 জিলহজ মুজদালিফা থেকে জামারায় আসতে হয় বড় শয়তানকে 7 টি পাথর মারার জন্য | সন্ধ্যার আগেই এটা করতে হয় | মুজদালিফা থেকে আসার সময় ট্রেন এ উঠতে হয় ভীষণ যুদ্ধ করে | এই সময় লক্ষ লক্ষ লোক লাইন এ দাঁড়িয়ে ট্রেনে উঠে থাকে | ট্রেন জামারা স্টেশন এ আসার পর বড় শয়তানকে পাথর মারতে হয় | পাথর মারার পর হোটেল এ বা হারাম শরীফ এ যাওয়ার সময় যত বিপত্তি শুরু | কারণ এই সময় রাস্তায় যানবাহন বা বাস বন্ধ থাকে | অপর দিকে ট্যাক্সির ভাড়া প্রায় 5-6 গুণ বেড়ে যায় | এই বাড়তি ভাড়া বহন করা অনেক হাজির পক্ষেই বহন করা কষ্ট সাধ্য হয়ে পরে | এই জাগাতেই আপনাকে এজেন্ট এর সাথে আলাপ করে নিতে হবে প্...