পোস্টগুলি

kaba ghor লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হোটেল কাবা ঘর দর্শনে বড় বাধা

২০২৬ সালে হজ্জের সময় সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ১৭,০৭,৩০১ জন হাজি হজ্জ্ব ব্রত পালন করতে যায় মক্কা ও মদিনায় । বেশির ভাগ লোকজন কাবা ঘরের বা মসজিদে নববীর  পাশের হোটেল এ থাকতে ভালোবাসে। কারণ দূর থেকে প্রচন্ড রোদ উপেক্ষা  করে হেটে আশা খুবই কষ্টের কাজ।  ২০২৬ সালে হজ্জ্ব করতে গিয়ে দেখা গেল যে সৌদি কর্তৃপক্ষ সব হাজীদের নামাজের ব্যবস্থা করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো সৌদি সরকার এর অপরিকল্পিত হোটেল নির্মাণ করা। তাদের ধারণা ছিল না যে এতো লোক হজ্জ্ব করতে আসবে প্রতি বছর। ~~ তাই তারা কাবা ঘর ঘেঁষে অনেক গুলু হোটেল নির্মাণ  করে বসছে আছে। বিশেষ করে, সাফা টাওয়ার, ক্লক টাওয়ার, মক্কা টাওয়ার, হোটেল হিল্টন ইত্তাদি। এই হোটেল গুলু আরো একটু দূরে দূরে নির্মাণ করলে হাজি সাহেবরা কাবা ঘর বা তার সীমানা প্রাচীর দেখে দেখে নামাজ আদায়  করতে  পারতো। হাজিরা আপসোস করে যে তারা কাবা ঘরকে দেখতে পারে না নামাজের সময় । জামাতের সময় তাদেরকে হোটেল গুলুর পিছনে বসতে হয়। এটা সত্যি দুঃখজনক। তাদেরকে বড় বড় হোটেল সামনে রাখতে হয়। তাই সৌদি সরকারের উচিৎ এইসব হোটেল গুলি ভেঙে ফেলা। না হয় প্রতি বছর...

হাজরে আসওয়াদ চুম্বন এ বৈষম্য বাদী নীতি

  হাজরে আসওয়াদ চুম্বনে  বৈষম্য বাদী আচরণ : কাবা ঘর তাওয়াফের সময় সবার একটা টার্গেট থাকে যে সে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করবে  ও ধরবে। কিন্তু কাবা  ঘর তাওয়াফের সময় দেখা গেল কিছু লোক বিশেষ করে উচ্চ ও শক্তিশালী  দেহের অধিকারী নিগ্রো ও সাদা চামড়ার উভয় ধরণের লোক দ্বারা দখল করে রাখা হয়।  সাধারণত হালকা পাতলা ও খাটো দেহের অধিকারী লোকগুলো ও মহিলারা বঞ্চিত হচ্ছে এই ধর্মীয়,  ঐতিহাসিক ও বেহেস্তের এই  পাথর চুমু খেতে বা ধরতে। বিশেষ করে সাউথ এশিয়া ও পূর্ব দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি এই  সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বেশি।   এতে করে এইসব এলাকার লোকজনের মধ্যে একটা অসম্পূর্ণতা থেকে যায় মনে। কেও বা হাত দিয়ে ধরে বা কেও চুমু দিতে পারলেও বেশিরভাগ লোকজন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। এই ক্ষেত্রে সৌদি সকার এই বৈষম্য দূরীকরণে এগিয়ে আসতে  পারে বা তাদের এগিয়ে আসা উচিৎ।   কাবা ঘরের চারপাশে আরেকটা বেড়া দেয়া যেতে পারে। এতে করে সবাই দূর থেকে শুধু ইশারায় চুমু  খাবে। যদিও এখনো এই ব্যবস্থা বর্তমান। তাই সবার জন্য একই ব্যবস্থা চালু করলে কারো মনে আর কষ্ট থাকবে না | অনেকে ...

শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে বাধা

২০২৬ সালের হজ্জের সময়  শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে সৌদি পুলিশের  বাধা   পবিত্র শহর মক্কায় অবস্থিত ঘরের আশে পাশে থেকেও আপনি কল্পনা করতে পারেন যে সৌদি পুলিশ তথা সৌদি সরকার হাজ্জীদের শুক্রবারের নামাজ পড়তে বাধা দেয়? হ্যাঁ ২০২৬ সালের হজ্জে তাই হয়েছে।  আমাদেরকে হোটেল এ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।  হোটেল থেকে বের হতে দেয় নি পুলিশ। হোটেল এর সামনে থেকে কাবা ঘরে যাওয়ার সব রাস্তা ব্লক করে রাখে সকাল ১০ টা থেকে। এটা সৌদি সরকারের সম্পূর্ণ ব্যার্থতা যে হয়ত বা তারা হাজ্জীদের জায়গার সংকুলান করতে পারে নি।  হজ্জের সময়  সারা বিশ্ব  থেকে যেহেতু অনেক মুসলমান ভাই বোনেরা আসেন কাবা ঘর তাওয়াফ করতে সেই জন্য তাদের জুমার নামাজ এর জন্য  বিশেষ ব্যবস্থা থাকা উচিৎ | কাবার আশে পাশে খোলা জায়গায় পর্যাপ্ত AC , শেড ও কার্পেট এর যোগান দিলে হাজিরা সহজেই কাবার আশেপাশে জুমার নামাজ পড়তে পারে কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে  সৌদি সরকারের সে বেপারে কার্পণ্য লক্ষ্য করা গেছে | পর্যাপ্ত ব্যাবস্থাপনা না থাকায় তারা হাজীদের হোটেল থেকে বের হতে দেয় নি  ২০২৬ সালের হজ্জে...