পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে আমেরিকা একটি স্বাধীন সার্ভভৌম দেশের উপর নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করে যাচ্ছে। সাথে অনেক বেসামরিক লোকজনকে হত্যা করছে। অবস্থা দেখে মনে হয় আমেরিকা পৃথিবীতে অশান্তির বীজ বপন করে চলেছে। আধুনিক সভ্য জগতে এই ধরণের অসভ্য আচরণ মানুষের আদিম যুগের পশুত্ব আচরণকে ডেকে আনছে | আল্লাহতায়ালা বিভিন্ন জাতির ও বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ ছড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বব্যাপী | প্রকৃতিগতভাবে এসব জাতির ও সংস্কৃতির মানুষ তাদের মতো করে জীবন যাপন করবে এটাই স্বাভাবিক | একটি নির্দিষ্ট দেশের জনগণই ঠিক করবে তাদের সরকার কে হবে | কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের regime চেঞ্জ এর পলিসি মানুষকে হতাশ করে চলেছে | পুরো বিশ্ব অবাক দৃষ্টিতে দেখছে আমেরিকার আচরণ | তারা অমানবিক নিষ্টুর ও অবিচার কায়েম করার চর্চায় মত্ত হয়ে গেছে | অর্থনৈতিকভাবে ও প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী একটি দেশের এইধরণের অসভ্য আচরণ পুরো মানবজাতিকে ভাবিয়ে তুলেছে | এখনই সময় এসেছে আম...

UNITED NATIONS RESOLUTION 181

  ১৯১৭ সালে ব্রিটিশরা অটোম্যান সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়ে ফিলিস্তিনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। একই সালে বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ইহুদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্টার কথা ঘোষণা করে। ১৯২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ বেসামরিক প্রশাসন শুরু হয় এবং ১৯২২ সালে লিগ অফ নেশনস ফিলিস্তিনের শাসনের জন্য ব্রিটেনকে ম্যান্ডেট বা আইনি কর্তৃত্ব প্রদান করে | ব্রিটিশরা মধ্যপ্রাচ্যে তার ক্ষমতার লেজুড় ধরে রাখার জন্য মুসলমানদের শত্রু ইহুদি জাতিকে ফিলিস্তিনে পুনর্বাসন করতে থাকে । আনুমানিক ৭০,০০০ থেকে ৮০,০০০ ইহুদি শরণার্থী অবৈধভাবে বা ব্রিটিশদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সমুদ্রপথে ফিলিস্তিনে প্রবেশ করার চেষ্টা করে (যাকে 'Aliyah Bet' বলা হয়)। ১৯৪৮ সালের মে মাসে ব্রিটিশ ম্যান্ডেট শেষ হওয়ার পর এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষণার ঠিক পরবর্তী ৩ বছরে (১৯৪৮-১৯৫১) প্রায় ৬,৮৭,০০০ ইহুদি অভিবাসী সেখানে আসে। তখন আর ব্রিটিশদের বাধা ছিল না। ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘের ১৮১ নম্বর প্রস্তাব (UN Resolution 181) গৃহীত হয়। এটি ফিলিস্তিন বিভাজন পরিকল্পনা (Partition Plan) নামেও পরিচিত। ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর ওই ভূখণ্ডে চলমান দ্বন্দ্ব নির...

Root Cause of Middle East Conflict

  What is the root cause of Middle East Conflict? Now the world is passing very critical time then ever after second world war. The root cause of this issue has been analyzed in below. Continuously the USA and Israel is violating International human rights law. Without caring UN resolutio and Internationla law  America has attacked Iran two times one is June 2025 and another one is running which one started on February 28 th 2026.   Without mandate of UN how a country can attack on a sovereign and independent country? America is telling that Iran is helping various groups including Hamas and Hezbollah and Huti. Now let’s find the root cause of this issue from below by using the tools " 5 WHY ANALYSIS TOOLS" 1.Why Iran is helping various groups to attack Jews? Ans: They are trying to establish independent country in the Palestine. 2. Why they are trying to establish in Palestine as independent country? Ans: Because International community including UN is failed ...

আমেরিকা ইস্রায়েল ও ইরান যুদ্ধ ২০২৬

  ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইরানের পরমাণু অস্ত্র বানানোর ইস্যু নিয়ে জেনেভা তে আলোচনা চলা কালীন হঠাৎ করে আমেরিকা ও ইস্রায়েল ইরান এ বোমা বর্ষণ শুরু করে। এতে প্রায় ১৭০ জন স্কুল ছাত্রী সহ ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি ও তার কিছু আত্মীয় নিহত হয় এবং প্রায় ১০০০ আহত হয়। আমরা এইধরণের কাপুরুষোচিত বর্বর হামলার নিন্দা জানাই। মিস্টার ট্রাম্প আবারো প্রমান করলো যে সে একজন কাপুরুষ। যুদ্ধের আন্তর্জাতিক নিয়ম ভঙ্গ করে সে আলোচনার টেবিল কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপর আক্রমণ চালানো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্গন করে । অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সে একজন সবচেয়ে নিকৃষ্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে ক্ষমতার অপব্যাবহার ও দাপট দেখানোকেই বীরত্ব বলে মনে করে। কোন সমস্যার শান্তিপূর্ণ আলোচনায় সে বিশ্বাসী নয়। সে খুব অস্থির চরিত্রের লোক। IAEA এর ফাইনাল রিপোর্ট ছাড়াই একটি দেশকে আরেকটি দেশ কিভাবে মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে আক্রমণ করতে   পারে তা বিশ্ব নেতাদের ভাবা উচিত...