হাজরে আসওয়াদ চুম্বন এ বৈষম্য বাদী নীতি
হাজরে আসওয়াদ চুম্বনে বৈষম্য বাদী আচরণ :
কাবা ঘর তাওয়াফের সময় সবার একটা টার্গেট থাকে যে সে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করবে ও ধরবে। কিন্তু কাবা ঘর তাওয়াফের সময় দেখা গেল কিছু লোক বিশেষ করে উচ্চ ও শক্তিশালী দেহের অধিকারী নিগ্রো ও সাদা চামড়ার উভয় ধরণের লোক দ্বারা দখল করে রাখা হয়।
সাধারণত হালকা পাতলা ও খাটো দেহের অধিকারী লোকগুলো ও মহিলারা বঞ্চিত হচ্ছে এই ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও বেহেস্তের এই পাথর চুমু খেতে বা ধরতে। বিশেষ করে সাউথ এশিয়া ও পূর্ব দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বেশি।
এতে করে এইসব এলাকার লোকজনের মধ্যে একটা অসম্পূর্ণতা থেকে যায় মনে। কেও বা হাত দিয়ে ধরে বা কেও চুমু দিতে পারলেও বেশিরভাগ লোকজন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। এই ক্ষেত্রে সৌদি সকার এই বৈষম্য দূরীকরণে এগিয়ে আসতে পারে বা তাদের এগিয়ে আসা উচিৎ।
কাবা ঘরের চারপাশে আরেকটা বেড়া দেয়া যেতে পারে। এতে করে সবাই দূর থেকে শুধু ইশারায় চুমু খাবে। যদিও এখনো এই ব্যবস্থা বর্তমান। তাই সবার জন্য একই ব্যবস্থা চালু করলে কারো মনে আর কষ্ট থাকবে না |
অনেকে আহত হয় হাজরে আসওয়াদ ধরতে গিয়ে। এতে করে এইসব অনাকাঙ্ঘিত দুর্ঘটনা ঘটবে না। অর্থাৎ সবাই দূর থেকে চুম্বন করবে নীতি অবলম্বন করলে আরো স্বাচ্ছন্দে সবাই কাবা ঘর তাওয়াফ করতে পারবে। আশা করবো সৌদি সরকার বিষয়টির প্রতি মনোযোগী হবে এবং ইসলামে সবার জন্য সাম্যের নীতি প্রতিষ্ঠিত হবে ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন