পোস্টগুলি

হজ্জের সময় সবচেয়ে কষ্টের দিন কোনটি ?

  হজ্জে যাওয়ার পর মক্কায় যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তারমধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক ও মারাত্মক সমস্যা হলো দুপুর বেলা ৪২ - ৪৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা সহ্য করে 3-4 কিলোমিটার হাঁটা | আমাদের হোটেল ছিল হারাম শরীফ এর কাছে | যার দূরত্ব ছিল জামারা থেকে প্রায় 3-4 কিলোমিটার | হজ্জের তৃতীয় দিন অর্থাৎ 10 জিলহজ মুজদালিফা থেকে জামারায় আসতে হয় বড় শয়তানকে 7 টি পাথর মারার জন্য | সন্ধ্যার আগেই এটা করতে হয় | মুজদালিফা থেকে আসার সময় ট্রেন এ উঠতে হয় ভীষণ যুদ্ধ করে | এই সময় লক্ষ লক্ষ লোক লাইন এ দাঁড়িয়ে ট্রেনে উঠে থাকে | ট্রেন জামারা স্টেশন এ আসার পর বড় শয়তানকে পাথর মারতে হয় | পাথর মারার পর হোটেল এ বা হারাম শরীফ এ যাওয়ার সময় যত বিপত্তি শুরু | কারণ এই সময় রাস্তায় যানবাহন বা বাস বন্ধ থাকে | অপর দিকে ট্যাক্সির ভাড়া প্রায় 5-6 গুণ বেড়ে যায় | এই বাড়তি ভাড়া বহন করা অনেক হাজির পক্ষেই বহন করা কষ্ট সাধ্য হয়ে পরে | এই জাগাতেই আপনাকে এজেন্ট এর সাথে আলাপ করে নিতে হবে প্...

পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি

  পশ্চিম তীর ও গাজায় মানবিক সংকট : বসতি স্থাপন , আন্তর্জাতিক আইন ও বিশ্বনেতাদের নীরবতা ইসরায়েল - ফিলিস্তিন সংঘাত আমাদের সময়ের অন্যতম বেদনাদায়ক ও বিতর্কিত মানবিক ও রাজনৈতিক সংকট । কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনিরা বাস্তুচ্যুতি , চলাচলে বিধিনিষেধ , সম্পত্তি ধ্বংস , বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছে । পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ , আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ , বিপুল সংখ্যক বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এবং একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতা বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে । পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপন পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক বিতর্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র । আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশ ১৯৬৭ সাল থেকে দখলকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন ও সম্প্রসারণকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করে । বসতি সম্প্রসারণের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ...