ঢাকা ময়মনসিংহঃ হাইওয়ে বিড়ম্বনা এখনো
কাটছে না। গত
অগাস্ট ২০২৬ এর ৭
তারিখ আমার পরিবার এর
সদস্যরা ময়মনসিং থেকে
বিকাল ৫ টা বাজে রওনা দেয়
আর ঢাকায় পৌঁছে রাত
১টার সময়। ২
ঘন্টার রাস্তা কেন ৮
ঘন্টা লাগলো ?
এটা জানার জন্য আমি
৯৯৯ এ ফোন দিয়েছিলাম
, তারা আমাকে ত্রিশাল থানার
ডিউটি অফিসার এর সাথে
লিংক করিয়ে দেয়।
ডিউটি অফিসার বলে যে
সাপ্তাহিক ছুটির জন্য যানবাহনের
অনেক চাপ তাই রাস্তায়
জ্যাম রয়েছে। পুলিশ
অফিসার তার থানা এলাকার
মধ্যে যা দেখেছে তাই
বলেছে। সে বললো
পুলিশ কাজ করছে তার
এলাকায় জ্যাম কমানোর জন্য। আসলেই কি
পুলিশ কাজ করছে ত্রিশাল
থানার পুলিশ?
ময়মনসিংহঃ
থেকে বৈলর পর্যন্ত আসতে
ময়মনসিংহঃ সদর ও ত্রিশাল দুই থানার পুলিশ রাস্তায়
শৃঙ্খলা ও যানবাহনের গতি
ঠিক রাখতে দায়ী। তাহলে
ময়মনসিংহঃ থেকে বৈলর পর্যন্ত
আসতেই ২ ঘন্টা
লাগে কি ভাবে ? এইরকম
ভাবে প্রতিটি থানার পুলিশ যদি
আসলেই কাজ করতো তার
নিজ নিজ এলাকায় তাহলে
কি ২ ঘন্টার রাস্তা
৮ ঘন্টা লাগতে পারে
?
এভাবে
ভালুকা, শ্রীপুর,গাজীপুর, টঙ্গী ও উত্তরা
থানা পুলিশ ও ময়মনসিং
হাইওয়ে এর ট্রাফিক স্বাভাবিক
রাখায় দায়িত্ব পালন করার কথা
? কারণ জ্যাম শুধু এক
জাগায় না বরং হাইওয়ে
এর বিভিন্ন জাগায় হয়ে থাকে। তাহলে আমরা
বলতে পারি যে কোনো
থানা পুলিশ ই আসলে
কাজ করছে না ঠিক
মত । জারজন্য জনগণকে
ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পুলিশ
কে কন্ট্রোল কৰাৰ দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রীর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
কি জবাব দিবেন কেন
৭ই অগাস্ট প্রত্যেকটি থানা পুলিশ তার দায়িত্ব পালনে
ব্যর্থ হয়েছে ?
এই জ্যাম সৃষ্টির জন্য
আরো যারা আছে তাদের
মধ্যে অন্যতম হলো পরিবহন
মন্ত্রী। এই মন্ত্রণালয়
হাইওয়ে পরিবহন ব্যাবস্থায় শৃঙ্খলা
ফিরতে ব্যর্থ হয়েছে।
যত্র তত্র গাড়ী থামিয়ে
যাত্রী উঠানো এই কৃত্রিম
সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।
হাইওয়ে
এর পাশে বাজার ময়মনসিংহ-
ঢাকা হাইওয়ে এর বিড়ম্বনার
অন্যতম একটি কারণ।
এই বাজার বসানো ও
সরানো পৌরসভা বা সিটি
কর্পোরেশন এর কাজ।
এই সিটি কর্পোরেশন বা
পৌরসভা দেখা শুনার কাজ
কোন মন্ত্রণালয় এর? আমার মনে
হয় এইটা স্থানীয় সরকার
ও পল্লী মন্ত্রণালয় এর। তাহলে স্থানীয়
সরকার ও পল্লী মন্ত্রণালয়
কি ব্যর্থ তার মন্ত্রণালয়
এর অধীন যেসব পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন
রয়েছে তার সুন্দর ব্যাবস্থাপনা
উপহার দিতে?
সর্বোপরি
প্রধান মন্ত্রী ও যার যার
মন্ত্রণালয় এর দায়িত্ব ঠিক
থাকে মতো পালন করছে
কিনা তার তদারকি করছেন? তাকে মনে রাখতে হবে
আব্রাহাম লিঙ্কন এর সেই
উক্তি “Government of the
people, by the people, for the people, shall not perish from the earth.”
শুধু কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ছাত্র জনতা আন্দোলন হলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে সু শাসন দেখতে চায় জনগণ কিন্তু বর্তমান সরকার সেটা কতটুকু করতে পেরেছেন তার কি কোনো এভালুয়েশন হচ্ছে ?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন