বিশ্বব্যাপী মার্কিন আগ্রাসন

 

বিশ্বব্যাপী  মার্কিন আগ্রাসন আর কত দিন চলবে ?

২০০৩  সালে মিথ্যা কারণ দেখিয়ে আমেরিকা ইরাক আক্রমণ চালায়। আমেরিকা দাবি করে  ইরাকে পরমাণু বোমা রয়েছে। কিন্তু আক্রমনের পর দেখা যায় আসলে ইরাকে কোনো পরমাণু বোমা নাই।  সুতরাং স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে আমেরিকা অন্য দেশের সারভৌমত্ত উপেক্ষা করে, আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে অন্যায় অবিচার প্রতিষ্টার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে | ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসাইনকে ফাঁসি দিয়ে আমেরিকা একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসাবে পরিচয় লাভ করেছে ।

২০২৩ সাল থেকে ইসরাইলকে  সহায়তা দিয়ে ফিলিস্তিনে ৭১ হাজার  এর বেশি নিরীহ নিষ্পাপ শিশু সহ নারী পুরুষ হত্যা করে |  আহত করে প্রায় দুই লাখের মতো | ইসরাইলকে সহায়তা করে  দ্বিতীয়বারের মত সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের পরিচয় দিল আমেরিকা ।  জাতিসঙ্গ থেকে বার বার বিভিন্ন শান্তি যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব কে নাকচ করে দিয়ে আমেরিকা  আন্তর্জাতিক এই সংস্থা কে অকার্যকর একটি প্রতিষ্টান পরিণত করে

তথাকথিত আমেরিকা ভিত্তিক কুখ্যাত GHF সহায়তাকারী সংস্থার নাম শত শত ফিলিস্তিনি মানুষকে  গুলি করে হত্যা করা হয়েছে অনাহার ও কৃত্তিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে  শত শত শিশুকে হত্যা করেছে নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এইসব করুন রিদয় বিদারক দৃশ্য পুরো বিশ্ব কে আহত করলেও কুখ্যাত এই দুই রাষ্ট্র নায়ক কে পীড়া দেয় নি মোটেই।

১৯৬৭ সালের পর থেকে  এই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েল সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রায় ৭২০০০ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করলো এবং এখনো হত্যা করে চলেছে। যুদ্ধ বিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে মাঝে মাঝেই  মনে হলেই নিরীহ মুসলমানদের গুলি ও বোমা মেরে হত্যা করে চলেছে। বলার কেও নাই দেখার ও কেও নেই | তাই মুসলমানরা এই দুই প্রেসিডেন্ট কে সব চেয়ে বেশি ঘৃণা করতে থাকবে তার তাদের  মৃত্যুর আগে ও পরেও  |

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। ক্রিমিনাল নেতানিয়াহু কে ঘোষ কেলেঙ্কারি থেকে বাঁচিয়ে দিয়ে আইন লঙ্গন করেছে প্রেসিডেন্ট  ট্রাম্প ।

অত্যাচারী ইহুদি রাষ্ট্র মুসলমানদের নানা স্থাপনা, পাকা বাড়ি-ঘর, স্কুল, কলেজ, মার্কেট হাসপাতাল বোমা মেরে চুরমার করে দেয়। ফলে ফিলিস্তিনিরা প্রচন্ড শীতের মধ্যে ঝড় শীত উপেক্ষা করে বস্তির মতো তাঁবুতে আশ্রয় নেয়। এতে অনেক মানুষ শীত   ঝরে/মারা যায়।

 ফিলিস্তিনিদের  উপর এই অত্যাচার নির্মমতার পাশাপাশি সিভিল সন্ত্রাসী  ইহুদি নাগরিকরা মেরে পিটিয়ে বাড়িঘর থেকে তাড়িয়ে দেয় ফিলিস্তিন মানুষদের যা এখনো চলমান | আলজাজিরার এইসব বর্বর নির্মম কাহিনীর নিউজ দেখে মিলিয়ন মানুষের চোখে অশ্রু ঝড়লেও ইস্রায়েল আমেরিকার সন্ত্রাসী সরকারের রিদয়ে বিন্দু মাত্র দয়ার উদ্রেক হয় নি। ফিলিস্তিনিদের  অমানবিক জীবন যাপন তাদের মনে বিন্দু মাত্র আবেগের সৃষ্টি করতে পারে নি |

২০২৬ সালের জানুয়ারী আরেক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপর হামলা করে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট Nicolás Maduro এবং তার স্ত্রী  Cilia Flores এর  হাতে পায়ে শিকল পরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানায় বন্ধি করে । অবশ্যই যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্গনের আরেক উদাহরণ। এটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর ক্ষমতা অপব্যবহারের আরেক নজির।

আন্তর্জাতিক সংস্থার সুপারিশ ছাড়াই এভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্গন করে আমেরিকা বিশ্ব ব্যাপী তার দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছে। ক্রমেই বিশ্ব মানুষের মনে আমেরিকা তার সরকারের প্রতি ঘৃণা বাড়িয়ে চলছে।

মিস্টার ট্রাম্প  গ্রীনল্যাণ্ড দখল করে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে। গ্রীনল্যাণ্ড যদিও EU কান্ট্রি এর মধ্যে পরে।  কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইউ কেও পাত্তা দিচ্ছে না। অন্যান্য উন্নত দেশ, চীন রাশিয়া এরাও কিছু বলছে না। কিন্তু  এই দুই দেশের  নীরবতা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এর নোঙরা স্বেচ্ছাচারিতা কে ক্রমেই বাড়িয়ে তুলছে।

২০২৪ সালে ইরানকে আক্রমণ করে তার পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস করে দিয়েছে। সর্বশেষ আবার ইরানকে আক্রমণ করার জন্য আর্মাডা এবং যুদ্ধ বিমান পাঠাচ্ছে। আমরা আশা করবো অন্নান্য আরব রাষ্ট্র গুলি পারে এই যুদ্ধ থামাতে।  ইউ , রাশিয়া চীন সাহায্যে এগিয়ে না আসলেও ইরানের পার্শবর্তী মুসলিম দেশগুলির উচিত USA এর এই রকম ছোট স্বাধীন  দেশগুলির উপর তাদের আদিপত্য প্রতিষ্টা কায়েম করা থেকে বিরত রাখা।

কিন্তু এইসব অন্যায় অবিচার অত্যাচার আর কতদিন চলবে ? এইসব থেকে মুক্তির উপায় কি ?

আমার মনে হয় প্রযুক্তি অর্থ এই দুইটি বিষয় আমেরিকাকে এইরূপ  স্বেচ্ছাচারী ও অহংকারী  হয়ে উঠায় সহযোগিতা করছে। সম্প্রতি মিস্টার ট্রাম্প ২০২৪ সালে হটাৎ করে উচ্চ ট্যারিফ আরোপ করে বিশ্বের অর্থনীতি ব্যাবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।

অন্যান্য দেশ গুলিকেও প্রযুক্তি এর উন্নয়নের জন্য আরো বেশি মনোযোগ দিতে হবে। বিদেশ নির্ভর অর্থনীতির উপর নির্ভর না করে দেশীয় উপকরণ দিয়ে দেশীয় অর্থনীতি কে আরো শক্তিশালী করতে হবে ।

আমদানি নির্ভর না হয়ে স্বদেশীয় পণ্য ব্যাবহারে সরকার জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে আমদানি কমিয়ে দেশি শিল্প গড়ে তুলতে হবে। জনগণ সরকার কে আরো বেশি দেশপ্রেমিক হতে হবে।

 বাংলাদেশের মতো উন্নয়ন শীল দেশগুলোকে আমেরিকা থেকে (ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক IMF ) থেকে ঋণ নেয়া বন্ধ করতে হবে। আর্থিক খাতে দুর্নীতি কমাতে হবে। ঋণ খেলাপিদের ব্যাঙ্ক  ডাকাতদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

শিক্ষা প্রযুক্তি খাতে বাজেট বাড়াতে হবে। সামরিক টেকনোলজি এর উন্নয়ন ঘটাতে হবে। প্রাচীন যুগের অস্ত্র নির্ভর না হয়ে আধুনিক অস্ত্র প্রযুক্তি এর উপর গবেষণা বাড়াতে হবে। আকাশ ড্রোন প্রযুক্তি নির্ভর সামরিক শক্তি বাড়াতে হবে |

সচিবালয় থেকে শুরু করে অন্যান্য অফিস থেকে দুর্নীতির বীজ উপরে ফেলতে হবে। সেনা বাহিনী যাতে বর্ডার এর সঠিক সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষন করে  চোরা চালানি বন্ধ করতে পারে তার ব্যবস্থা নিতে হবে।

উন্নয়ন শীল দেশগুলি তাদের গবেষকদের বিদেশ থেকে ফেরত এনে দেশে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণাগার তৈরি করে তাদেরকে দেশে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে হবে।

রপ্তানি বাণিজ্যে পরিবর্তন আনতে হবে আমেরিকা ইউ নির্ভর রপ্তানি বাণিজ্য না করে বিশ্বের সকল দেশের সাথে রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে হবে।

জাপান, কোরিয়া , চীন সিঙ্গাপুর এর মতো আইন করে দেশের অর্থনৈতিক ব্যাবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে মুসলিম দেশ গুলির সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার বিভিন্ন প্রজেক্ট গড়ে তুলতে হবে। সমস্ত মুসলিম দেশগুলি মিলে একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।  যেখানে মুসলিম তরুণ বৈজ্ঞানিকরা গবেষণা করে নুতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করবে যাতে সামরিক অর্থনৈতিক খাতে বিপ্লব ঘটতে পারে ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমরা বেশি জুলুম অত্যাচারের শিকার হচ্ছে। বাংলাদেশের রুহিঙ্গা, চেসনিয়ার মুসলিম, অবগানিস্তানের জনগণ, চিনার উইগুর এর মুসলমান, ফিলিস্তিন মুসলমান আজ নির্যাতিত। এদের রক্ষায় মুসলিম দেশগুলোকে এক হতে হবে|

শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্র গুলি যেমন তুরস্ক, ইরান, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, পাকিস্তান কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে তাদেরকে  আলাদা একটি ফান্ড গঠন করতে হবে। নিজেদের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য জোরদার করতে হবে। 

প্রযুক্তি সমরাস্ত্র উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।  গবেষণাগার তৈরি করতে হবে। ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েটদের দিয়ে গবেষণা চালাতে হবে। মুসলিম দেশগুলির মধ্যে গ্রাজুয়েট আদান প্রদান করতে হবে |স্কলারশিপ দিতে হবে। গবেষণার সুযোগ করে দিতে হবে |

 ব্রিটিশদের কাছে হেরে যাওয়া ওসমানী খেলাফত এর মতো নতুন খেলাফত সৃষ্টি করতে হবে।  প্রেরণা   প্ল্যান নিয়ে তুরস্ক কে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যান্য মুসলিম দেশগুলিকে  সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।  এটা আমাদের ধর্মীয় দাবি। আমাদের মুসলিম উম্মাকে বাঁচাতে হবে। তারা আজ  খ্রীষ্টান ইহুদিদের  নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার। নতুন গ্রুপ বা ফোরাম গঠন করতে প্রয়োজনে তুরস্ককে NATO ছাড়তে হবে | বিশ্ব মুসলিম উম্মাকে বাঁচাতে তাদেরকে আবার লিড দিতে হবে |

মুসলিম দেশ যারা  রপ্তানি ও আমদানি বাণিজ্যের জন্য আমেরিকা ও ই ইউ  এর উপর নির্ভরশীল তাদেরকে সেটা থেকে আস্তে আস্তে বেরিয়ে  আসতে হবে। OIC এর মতো আলাদা সঙ্গ গঠন করতে হবে। দেশের মধ্যে অন্ত কোন্দল দূর করতে হবে।

আন্ত কোন্দলের সুযোগ  নিয়ে আমেরিকা একটি দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে রাষ্ট্র ক্ষমতা প্রভাবিত করার খেলায় মেতেছে। এই খেলা থেকে মুসলিম রাষ্ট্র নেতাদের বেরিয়ে আসতে হবে। 

নিজেদের মধ্যে অন্ত কলহ ভুলে মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে এক হতে হবে। মধপ্রাচ্যের দেশগুলোকে এই ব্যাপারে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে তাদেরকে আমেরিকার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে |

ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক ও IMF থেকে রিন্ নেয়া বন্ধ করতে হবে। আমেরিকা বেসিস সাহায্য সংস্থা থেকে সরে আসতে হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশ এর গ্রামীণ ব্যাঙ্ক মতো আর্থিক প্রতিষ্টান গড়ে তুলতে হবে নিজ নিজ দেশে ।

দুর্নীতি উন্নয়নশীল মুসলিম দেশগুলোর একটি বড় সমস্যা। বেশির ভাগ দেশের দুর্নীতি পরায়ণ ব্যাবসায়ীরা নিজেদের দেশের টাকা বহির্দেশে নিয়ে গিয়ে দেশকে দেশের মানুষকে আরো পিছিয়ে দিচ্ছে। এ জন্য কঠোর হতে হবে প্রতিটি মুসলিম দেশের নেতাদের। অর্থ পাচার রোধে কঠোর আর্থিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

অতিরিক্ত মুনাফার আশায় আমেরিকা ও EU ভিত্তিক ব্যাবসা গড়ে না তুলে বিশ্বের সব মুসলিম দেশের সাথে ব্যবসা গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে ট্রাম্প কর্তৃক অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ তার একটি বাস্তব উদাহরণ। অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ফলে অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে।

এক মুসলিম দেশের চাহিদার উপর গুরুত্ব দিয়ে ঐসব পণ্য উৎপাদন করে সেইসব পণ্য ঐসব মুসলিম দেশে রপ্তানি করতে হবে। ধনী মুসলিম দেশগুলির উচিৎ গরিব দেশগুলিতে শিল্প কারখানা স্থাপন করে ওই দেশের বেকার  সমস্যা সমাধানে সহায়তা করা।

আমেরিকার বর্তমান আচরণ পুরো বিশ্ব  বিবেক কে আহত করছে, তাদেরকে হতাশ করছে। তাই সময় এখনই আমেরিকা থেকে সরে আসা। তা না হলে তাদের সারভৌম টিকেয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।

ইস্রায়েল ফিলিস্তিনিদের উপর যে অত্যাচার ও নিপীড়ন চালিয়েছে তা এর আগে কখনো  দেখা যায় নি। ইস্রায়েল এর প্রতি বিশ্ব মোড়ল আমেরিকার অন্ধ সমর্থন বিশ্ববাসীকে অবাক করে দিয়েছে।

ট্রাম্প এর সহায়তায় যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করার পর ও প্রায় ৭০০ নিরীহ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। যুদ্ধ বিরতির পর ও ইস্রায়েল এর এহেন আচরণ আন্তর্জাতিক সকল যুদ্ধ আইন কে লঙ্গন করেছে । এটা দেখেও আমেরিকার অন্ধ সমর্থনকারী EU ও অন্যান্য শক্তিশালী দেশগুলি চুপ করে আছে ।

আমেরিকা, ইউরোপ এর নীরবতা বিশ্ব মানবতাকে পায়ের নিচে পিষে হত্যা করেছে । মহান আল্লাহ এইসব অন্যায় অবিচার এর শাস্তি অবশ্যই দিবেন। হয়তো আমাদের পরবর্তী জেনেরেশন তা অবলোকন করবে।

হাজার হাজার বছর আগে শাস্তি প্রাপ্ত সীমালঙ্ঘনকারী জাতির ধ্বংসের নজির যেমন ফেরাউন,মাদায়ানবাসি ও লুতের জাতির ধ্বংসের নিদর্শন এখনো আমরা দেখতে পাচ্ছি মধপ্রাচ্যের বিভিন্ন জাগায় ।

একমাত্র আল্লাহ প্রকৃত ও সর্বশ্রেষ্ট বিচারক | আমেরিকা ও ইস্রায়েল এর এই সীমা লঙ্গন ও অবিচার এর বিচার অবশ্যই হবে |  নির্বিচারে গণ হত্যা ও ধ্বংস যজ্ঞের নজির হয়ত  সৃষ্টিকর্তা দ্রুতই মানবজাতিকে দেখিয়ে নিবেন। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ফিলিস্তিন এ ইসরাইলের গণহত্যার অবসান কিভাবে সম্ভব ?

Root Cause of Middle East Conflict

ISO 27001 Certification in Bangladesh